ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ ২০২৩ | ঈদুল আযহা ২০২৩ কত তারিখে |

ঈদুল আযহা ২০২৩ কত তারিখে |

ঈদুল আযহা ২০২৩

ঈদুল আযহা বা কুরবানীর ঈদ সম্পর্কে আজকে আমাদের আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। আপনারা অনেকেই জানেন না যে ঈদুল আযহার কবে হবে। আজকের আমাদের এই আর্টিকে কোরবানির ঈদ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিয়ে সাজানো হয়েছে।
আপনারা যদি এই বিষয় সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেল আপনার জন্য। চলুন কোরবানির ঈদ সম্পর্কে নানা জানা-অজানা তথ্য এবং কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা কবে হবে তা সম্পর্কে জেনে আসি।

ঈদুল আযহা ২০২৩ কত তারিখে

ঈদুল আযহা ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত হবে ২৮ শে জুন অথবা ২৯ শে জুন বুধবার অথবা বৃহস্পতিবার। এখনো আমরা নির্দিষ্টভাবে ২৮ না ২৯ তা বলতে পারছি না। চাঁদ দেখা যাবার পরে আমরা বলতে পারব ২৮ তারিখ নাকি ২৯ তারিখে ঈদুল আযহা উদযাপন হবে।

২০২৩ সালে ঈদুল আযহা কত তারিখে

২০২৩ সালে আমরা আশা করছি যে ঈদুল আযহা উদযাপনে তারিখ ২৮ এবং ২৯ শে পড়বে। সেই দিনটি থাকবে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার। তবে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে ২৮ তারিখে ঈদুল আযহা উদযাপন হওয়ার।
কোরবানির ঈদ বা ঈদুল আযহা আসছে আর বেশি দেরি নেই। যে কারণে মূলত মানুষ গুগলে ঈদ সম্পর্কে বা ঈদ কবে হবে এই সম্পর্কে জানতে চান। আপনাদের এই তথ্যগুলো জানা থাকলে অন্যান্য যে সকল কাজ রয়েছে সেই সকল কাজগুলো গুছিয়ে নেবেন এবং ঈদের জন্য প্রস্তুতি নেবেন। যে কারণেই আপনাদের ঈদুল আযহার তারিখ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।

২০২৩ সালে কোরবানির ঈদ কত তারিখে

আমরা আশা করছি যে ঈদুল আযহা উদযাপন হবে ২৮ জুন। যে দিনটি হবে বুধবার। তবে ২৯ শে জুন ঈদুল আযহা উদযাপনের সম্ভাবনা ও রয়েছে। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে দিন পরিবর্তন হতে পারে। তবে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে ২৮ এ জুন।

২০২৩ সালে ঈদুল আযহা কবে

ইসলামিক ক্যালেন্ডার দ্বাদশ ও শেষ মাসের জিলহজ মাসে নতুন চাঁদ দেখে আমরা নির্ধারণ করি ঈদুল আযহার দিন। ১৯ শে জুন ২০২৩ সালে অর্ধচন্দ্র দেখা যাবে বলে আমরা আশা করেছি। যদি সেই দিন চাঁদ দেখা যায় তবে সেই দিন থেকে ১০ দিন পর ঈদ উদযাপন হয়। যেইদিন চাঁদ দেখা যাবে সেই দিনটি প্রথম দিন হিসেবে হয়। সুতরাং সেই হিসেবে আমরা বলতে পারি ২৮ অথবা ২৯ তারিখে ২০২৩ সালের ঈদুল আযহা উদযাপন হবে।
কোরবানির পশু জবাই করার জন্য দোয়া

কোরবানির পশু জবাই করার জন্য দোয়া

আমরা প্রায় সকলেই কোরবানি দিয়ে থাকি। কিন্তু আমরা জানিনা যে কোরবানির পশু জবাই করার জন্য কোন দোয়া পড়তে হয়। আমরা দোয়া পড়তে না পারার কারণে হুজুরদের দিয়ে কোরবানি পশু জবাই করে থাকি। এই দোয়াটি পাঠ করে আপনি নিজের কোরবানি নিজে জবাই করতে পারবেন। কোরবানির পশু জবাই করার জন্য যে দোয়াটি পাঠ করতে হয় তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো।
اَللَّهُمَّ إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ
وَالْأَرْضَ عَلَى مِلَّةِ اِبْرَاهِيْمَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ
– إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ –
لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ – بِسْمِ اللهِ
اَللهُ اِكِبَر – اَللَّهُمَّ مِنْكَ وَ لَكَ
 
উচ্চারণঃ- ইন্নি
ওয়াঝঝাহতু ওয়াঝহিয়া লিল্লাজি ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা আলা মিল্লাতি ইবরাহিমা হানিফাও ওয়া মা আনা মিনাল
মুশরিকিন। ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। লা শারিকা লাহু
ওয়া বি-জালিকা উমিরতু
ওয়া আনা মিনাল মুসলিমিন। বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা মিনকা ও লাকা।

আমরা অনেকেই আরবি পড়তে পারি না যে কারণে মূলত আমরা মূলত বাংলা উচ্চারণ উল্লেখ করলাম। তবে বাংলা উচ্চারণ একেবারে সঠিকভাবে আরবি উচ্চারণের মত হয় না। যে কারণে সতর্কতা অবলম্বন করে আমাদের বাংলা উচ্চারণ পাঠ করা উচিত। তবে আমরা সকলেই আরবি শিখব ইনশাআল্লাহ। তাহলে আমরা সঠিকভাবে কোরআন পড়তে পারব এবং যেকোনো দোয়া মুখস্ত করতে পারব।

Leave a Comment