ফিজি ভ্রমণ ভিসা, ভ্রমণ খরচ, দর্শনীয় স্থান (বিস্তারিত তথ্য ২০২৩)

ফিজি ভ্রমণ ভিসা ২০২৩

ফিজি ভ্রমণ ভিসা ২০২৩

ফিজি ভ্রমণ ভিসা ২০২৩ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে আজকের আমাদের এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনারা যারা ফিজি ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য আজকের আমাদের এই আর্টিকেল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আর্টিকেল থেকে আপনারা জানতে পারবেন ফিজি সম্পর্কে জানা অজানা সকল তথ্য।
যেমনঃ- ফিজি যেতে কত টাকা লাগে, ভ্রমণ খরচ কত, ফিজিতে যে সকল দর্শনের স্থান রয়েছে সেই সকল দর্শনের স্থানগুলোর নাম এবং সেই সকল দর্শনের স্থান সম্পর্কে কিছু তথ্য। ফিজিতে কেন ভ্রমণ করবেন এই সংক্রান্ত আরো অন্যান্য বিষয়সহ বিস্তারিত তথ্য।

ফিজি পরিচিতি

ফিজি ওশেনিয়া মহাদেশের একটি রাষ্ট্র। ফিজিতে ইউরোপীয় অধিবাসীরা এসেছিল ১৯০০ শতাব্দীতে। তার পূর্বে ১৬৪৩ সালে একজন ডাস ফিজি আসেন। পরবর্তী সময়ে বৃটেনের উপনিবেশ হিসেবে ফিজি ১৮৭৪ সালে পরিণত হয়। ফিজি স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৭০ সালের ১০ই অক্টোবর
এই দেশটির বৃহত্তম নগরী এবং রাজধানী সুভা। দেশটিতে অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে ইংলিশ, ফিজিয়ান এবং ফিজি হিন্দি। দেশটির মোট আয়তন ১৮,২৭৪ কিলোমিটার। এ দেশটিতে মোট জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৬১০ জন।
ফিজি দেশটি অনেক সুন্দর একটি দেশ ভ্রমণ করার জন্য। দেশটির প্রকৃতি আপনাকে মুগ্ধ করবে। দেশটি ছোট হিসেবে অনেক স্থান রয়েছে ভ্রমন করার জন্য। যে সকল স্থানগুলোতে প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ ভ্রমণ করতে এসে থাকে। আপনি ও চাইলে ফিজিতে ভ্রমণ করতে পারেন। চলুন ফিজি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য জেনে আসি।

ফিজি ভ্রমণ ভিসা ফি কত

আপনারা যারা বাংলাদেশ থেকে অথবা অন্যান্য দেশটিকে ফিজিতে ভ্রমণ করতে যাবেন তাদের ভিসা ভি প্রদান করতে হবে প্রায় সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ৯১ ডলার। আর মাল্টিপল জন্য ১৮০ ডলার। যারা সিঙ্গেল এন্ট্রি তে যাবেন তারা ৯১ ডলার ফি প্রদান করবেন তার বিনিময়ে তারা সেখানে তিন মাস থাকার অনুমতি পাবেন। আর যারা মাল্টিপল ভিসা নিয়ে যাবেন ১৮০ ডলার দিয়ে যাবেন তারা ফিজি তে ৩ মাস পর্যন্ত থাকতে পারবেন।

ফিজি যেতে কত টাকা খরচ হবে

আপনি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ফিজি যেতে পারবেন না। কারণ বাংলাদেশ থেকে সরাসরি ফিজি কোন এয়ারলাইন্স নেই। আপনি চাইলে সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক হয়ে আকাশ পথে ফিজিতে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ হবে প্রায় দের লক্ষ টাকার মতো অথবা এক লক্ষ বিশ হাজার

ফিজি ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ কতদিন

ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ সাধারণত সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত হয়ে থাকে। ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ কমানোর পিছনে বেশ কারণ রয়েছে। ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ যদি বেশি থাকত তবে অনেকেই ভ্রমণ ভিসা নিয়ে গিয়ে সেখানে কাজ করতে শুরু করত এবং অর্থ উপার্জন করত। যেটাতে সেই দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হতো।
সেই কারণে মূলত প্রায় সকল দেশেই সর্বোচ্চ ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ থাকে তিন মাস। আপনিও বাংলাদেশ অথবা অন্যান্য দেশ থেকে ফিজি গিয়ে তিন মাস পর্যন্ত থাকতে পারবেন ভ্রমণ ভিসার মাধ্যমে। আপনারা যদি কাজের ভিসা নিয়ে যান তাহলে আপনি অনেকদিন থাকতে পারবেন। আবার পরবর্তীতে রিনিউ করে আরো বেশি সময় ধরে থেকে কাজ করতে পারবেন।

ফিজি ভ্রমণ ভিসা কিভাবে পাব

বাংলাদেশ থেকে বর্তমান সময়ে আপনারা খুব সহজেই ফিজি যেতে পারবেন। ভ্রমণ ভিসা অথবা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা অথবা স্টুডেন্ট ভিসা অথবা অন্যান্য ভিসা নিয়ে। বাংলাদেশে ফিজি যাওয়ার জন্য এজেন্সি রয়েছে। সেই সকল এজেন্সি গুলো সাহায্য নিয়ে আপনি ফিজিতে প্রবেশ করতে পারেন বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে। বাংলাদেশে ঢাকাতে যে বুয়েসেল সেল রয়েছে সেই বুয়েসেলের মাধ্যমে আপনারা যে কোন দেশে যেতে পারেন। এটা খুবই বিশ্বস্ত বিদেশ যাবার ক্ষেত্রে।
ফিজি ভ্রমণ ভিসা ২০২৩

ফিজির দর্শনীয় স্থান

ফিজি একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এটি ছোট একটি দ্বীপ রাষ্ট্র হওয়া সত্বেও এইখানে প্রতিবছর অনেক পরিমাণ মানুষ ভিজিট করতে এসে থাকেন বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের কারণে। দেশটির মূল আয়ের উৎসাহ হচ্ছে পর্যটন খাত। সুতরাং আপনারা বুঝতে পারছেন যে ফিজিতে কত পরিমান মানুষ ভ্রমণ ভিসা নিয়ে আসেন। আপনারা চাইলেও ফিজিতে ভ্রমণ করতে পারেন।
ফিজির আশেপাশে বেশ কয়েকটি জলপ্রপাত রয়েছে যেগুলো দেখার জন্য অনেকেই বাইরের দেশ থেকে এসে থাকেন। ফিজির চারিদিকে সুন্দর প্রবাল প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত যা সামুদ্রিক জীবনের সঙ্গে ভাসমান রয়েছে।
১. কারালাড়ু ন্যাশনাল পার্কঃ- এটি ফিজির প্রধান ন্যাশনাল পার্ক এবং তার সাথে এটি প্রাকৃতিক সংরক্ষণ কেন্দ্র। এখানে আপনারা বন্যপ্রাণী সমৃদ্ধ জঙ্গল দেখতে পারবেন তার সাথে নদী ও ঝর্ণার দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন।
২. মানা আইল্যান্ডঃ- এটা প্রাকৃতিক একটি দ্বীপ যেখানে আপনারা মরুভূমি এবং সুন্দর সৈকত এর দৃশ্যগুলো উপভোগ করতে পারবেন। আপনারা এখানে বেশ কয়েক রকম কার্যক্রম এর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবেন। যেমন, স্কুবা ড্রাইভিং, স্নোর্কেলিং ইত্যাদি।
৩. তুম্বা গার্ডেনঃ- এটি ফিজিতে অবস্থিত একটি সুন্দর বাগান যেখানে আপনারা বিভিন্ন ধরনের এবং বিভিন্ন বর্ণের ফুলের সুন্দর দৃশ্য দেখতে পারবেন। এটি ফিজির একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা।
৪. সুবয়া রাজশ্বরীঃ- এটাও ফিজিতে অবস্থিত আর এখানে মূলত ফিজির রাষ্ট্রদূতের বাসস্থান হিসেবে পরিচিত। এখানে আপনারা স্থানীয় বাজার, মন্দির, সার্কিটস একটি পাঠশাল আলোয় পরিদর্শন করতে পারবেন। এই শহরটি অনেক সুন্দর একটি শহর।
উপরে উল্লেখিত যে দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম দেখতে পারছেন সেগুলো শুধুমাত্র ফিজিতে অবস্থিত। ফিজিতে এছাড়াও আরো অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যা ভ্রমণকারীদের অনেক আকর্ষণ করে থাকে।
আরো জানতে ভিজিট করুন

Leave a Comment